হাইমচরে যৌতুক মামলা দিয়ে হয়রানি “স্ত্রী প্রতি স্বামী ছলেমানে অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁদপুর জেলা হাইমচর উপজেলার পূর্বচর কৃঞ্চপুর গ্রামের মোঃ কালু মিয়া গাজী বড় মেয়ে আয়শা আক্তার আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক মিথ্যে অভিযোগ এনে তার স্বামী ছোট লক্ষীপুর গ্রামের ছলেমান বিরুদ্ধে মামলার দিয়ে হয়রানি করা অভিযোগ তুলেছেন।

আয়েশা আক্তার চাঁদপুর জেলা বিজ্ঞ বিচারক আমলী আদালতে যৌতুক নিধোন আইনের ৩ ধারায় ছলেমান কবিরাজসহ আরো ৩ জন কে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। যার সি. আর নং ২০/ ২০২২ ইং।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারীতে চাঁদপুরে আয়েশা আক্তার মামলাটি করেন। মামলাসুত্রে জানাযায় ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১ লক্ষ ৫০ হাজার দেনমোহরের বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবন একটি পুত্র সন্তানের জম্ম নেয়। বিয়ের পর থেকে বেশীরভাগ সময় আয়শা আক্তার শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে থাকতে অব্যস্ত। স্বামী ছলেমানে কে না বলে নিজের ইচ্ছে মত বাপের বাড়িতে চলে যায়।

একবার গেলে আর ফিরে আসা কথা মনে থাকে না। ছলেমানের বাড়িতে বৃদ্ধ মা থাকায় আয়শাকে আনার জন্য বহুবার বিভিন্ন আত্নীয় স্বজন কে নিয়ে আনতে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তারিয়ে দেন। আয়শা তার স্বামী কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য, যে কোন মানুষের সামনেই তাহাকে হেয় প্রতপন্ন করতে শুরু করেন। এছাড়াও বিভিন্ন ভাষা গালি গালাজ করতো। স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করার লক্ষ্যে ছলেমান আইনের সহায়তা চেয়ে লিগ্যালে নোটিশ পাঠায়।

আদালতের বিচারক উভয় পক্ষে কথা আয়শাকে স্বামী সংসার করার পরামর্শ দেয়। এ সকল তথ্য ছলেমানের দায়ের করা লিগ্যাল নোটিশ থেকে পাওয়া। গত ২০ জানুয়ারি রাতে আয়শা আক্তার তার ছলেমানের বিরুদ্ধে মারধোর অভিযোগ করে বাপের বাড়িতে চলে যায়। দায়ের করা মামলায় জানাযায় বিবাহের সময় তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের জন্য আয়শা বাবার বাড়ি হতে সাড়ে ৩ ভরি স্বর্ন, ফার্নিচার, আসবাবপত্র ও ব্যবসা করার নামে ১০ লক্ষ দাবী করে আয়শা ও পুত্র কে বাহির করা দিয়েছে বলে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ব্যাপারের পরিবারের লোকজনের দাবী আয়শার পরিবারের কাছ থেকে কোন প্রকার জিনিস পত্র আনা হয়নি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যে মামলা করে হয়রানী করছে। তাদের কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা চাওয়া হয়নি। আয়শা অযথা আমাদের কে হয়রানি করছে।

এ ব্যাপারে ছলেমান কবিরাজ জানান আমার বিরুদ্ধে মারধোর ও যৌতুক দাবী কথা টি সত্য নয়। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আমার সন্তান ও পরিবারকে নিয়ে সংসার করতে পারি সে ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা কামনা করছি।

এ ব্যাপারে আয়শা আক্তার জানান কোর্ট থেকে আসার দিন রাতে আমাকে প্রথমে মারধর করে পরে মারার জন্য বালিশ চাপা দিয়ে ধরে। আমি আমার আব্বু ফোন দিলে পুলিশ নিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে কালু মিয়া গাজী বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, মেয়ের সুখীর জন্য যাযা দরকার আমি দিয়েছি। জামাই ডিলারের ব্যবসা করতে টাকা চেয়েছে দিতে অস্বীকার করলে মেয়ে প্রতি অত্যাচার শুরু হয়। ছলেমানের পরিবারের লোকজনের দাবী যাতে করে এ রকম মিথ্যে, ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে নিরীহ ও অসহায় মানুষ মামলা পড়ে হয়রানী না হতে হয়।

এ জন্য প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যে বিচার দাবী করছি। যাতে করে স্বামী তার স্ত্রী দ্বারা হেয় প্রতিপন্ন ও মামলা পড়ে হয়রানী না হয়।

একই রকম খবর