হাজীগঞ্জে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত বিদ্যালয়ের ৩ লক্ষ টাকার গাছ

হাবিবুর রহমান হাজিগঞ্জ: হাজীগঞ্জ উপজেলার পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের আশ-পাশে থাকা তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ মাত্র ৮০হাজর টাকায বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায় হাজীগঞ্জ উপজেলার পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের১৫টি গাছ রেগুলার বাজার মূল্য ৩লাখ টাকার উপরে।আর সে গাছগুলো নামেমাত্র মূল্যে ৮০হাজার টাকায় নিজেদের পছন্দের লোকের নিকট বিক্রয় করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ।

সরকারি কোন গাছ বিক্রি করার জন্য উপজেলা পরিবেশ ও বন বিভাগের অনুমতি নিতে হয় এবং উপজেলার মিটিংটি অনুমোদন করিয়ে নিতে হয়। কিন্তু পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি তার কোনোটিই না করে নিজেদের ইচ্ছেমতো গাছ গুলো কম দামে নিজেদের পছন্দের মত লোকের কাছে বিক্রি করে । যেগুলোর বাজার মূল্য তিন লক্ষ টাকার উপরে। এতে করে সরকারের রাজস্ব বিভাগ আয়কর ও ভ্যাটের অর্থ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলল- উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ এবং বিদ্যালয়ের পাশে থাকা মোট ৩৫টি গাছের গুঁড়ি রয়েছে। এ বিদ্যালয়ে সম্প্রতি চারটি নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত রয়েছে। সেই বিভ্রান্তির রেশ না কাটতেই গাছ ও পুরাতন টিনের ঘর বিক্রয়ের অভিযোগ উঠে।

এতেকরেএলাকার লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

গাছ কাটার বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে। সে টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা রাখা হয়। উপজেলা গাছ কর্তন কমিটির অনুমতি নিয়েছেন কি না তা জানতে চাইলে? তিনি বলেন, এ ধরণের অনুমতি কখনো নেওয়া হয়নি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক হেলাল বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য কমিটির সিদ্ধান্তে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারো অনুমতি নেওয়া হয়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন ,নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্তে গাছ নিলামে বিক্রয় করবে। পরিচালনা পর্ষদ নিজেদের ইচ্ছেমতো গাছ বিক্রি করতেপারেন না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তন এবং নিলামে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি কমিটি বন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গাছের মূল নির্ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে নিয়ম মানা না হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

একই রকম খবর