ফরিদগঞ্জে এমএ হান্নানের ৪ কি.মি দীর্ঘ ২ সহস্রাধিক মোটর শোভাযাত্রা

এসএম ইকবাল / মাছুম তালুকদার : আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা দিয়েছিলেন, ‘এখন থেকে সভা, সমাবেশ, শোভাযাত্রায় কোন বাধা দেওয়া হবে না।’

এ ঘোষনার পর চাঁদপুর-৪ আসন ফরিদগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি এমএ হান্নানের নেতা-কর্মী সমর্থক প্রচারনায় ফুঁসে উঠে।

তারই অংশ হিসেবে রোববার (৪ নভেম্বর) এমএ হান্নানের নেতৃত্বে ফরিদগঞ্জে দুই সহ্রসাধিক মোটরসাইকেল, দুই শতাধিক মাইক্রোসহ বিভিন্ন মোটরযানের বিশাল শোভাযাত্রা ফরিদগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন চষে বেড়ায়।

এসময় রাস্তার দু’পাশে হাজার হাজার নারী-পুরুষ গরীবের বন্ধু বলে এমএ হান্নানকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্যে দাবি তোলে। তার জবাবে এমএ হান্নান হাত নেড়ে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ধৈর্য্য ধরার জন্য আহ্বান জানান। এমএ হান্নানের মোটর শোভাযাত্রাটি সড়কের প্রায় ৪ কি. মি. বিস্তৃত ছিলো।
শোভাযাত্রা শেষে এমএ হান্নান তার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনার পরই আমারা শোভাযাত্রায় নেমেছি। কিন্তু পুলিশ আমাদের শোভাযাত্রায় বাধা দিয়ে নেতা-কর্মীদের মোটর সাইকেল আটক করেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা কোন ধরেনের বিশৃঙ্খলা করতে চাই না। আমরা শান্তিপূর্ণ কমূসূচিতে বিশ্বাসী।

উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফরিদগঞ্জের উন্নয়নে আমি সব সময়ই ফরিদগঞ্জবাসীর পাশে ছিলাম। গরীব-দুঃখীদের সাহায্য সহযোগিতা করছিলো আমার কাজের মধ্যে অন্যতম। এক্ষেত্রে কোন দলীয় পক্ষপাতিত্ব ছিলো না। আগামীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলে আশাকরি আপনারা আমার পাশে থাকবেন-এই বিশ^াস আমার আছে। তার প্রমান আমি পেয়েছি।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলা প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, মিথ্যা মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকে কারাদ- দেয়া হয়েছে। আমরা তা প্রত্যাহার সহ নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছি।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়া মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ ফরিগঞ্জ-এর সভাপতি ও সাবেক মেয়র মো. মঞ্জিল হোসেন, ৪নং সুবিদপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মো. মহসিন হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও ৩নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম চৌধুরী, ৫নং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ডা. এ কে আজাদ, ১নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বাবুল, ১৬নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও ৭নং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাবু পাটওয়ারী, বিএনপি নেতা ও সমাজসেবক আলমগীর হোসেন পাটওয়ারী,

আবু জাফর খসরু মোল্লা, ১৫নং ইউনিয়নের তোফায়েল আহম্মেদ, ১৪ নং ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন মাস্টার, ১৪নং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম নজু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফ পাটওয়ারী, পৌর সভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন গাজী, জেলা যুবদল নেতা মাসুদ আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জামাল মিজি, ৪নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বুলু,

১২নং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নেছার গাজী, সেকু মেম্বার, ১০নং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের মেম্বার, ৯নং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শাহ আলম, সাইফুল ইসলাম, ৮নং ইউনিয়নের ফারুক মিয়াজী, মাঈনুদ্দীন পাটওয়ারী, ৭নং ইউনিয়নের মোফাজ্জল হোসেন মফু, আব্দুল মতিন মেম্বার, ৬নং ইউনিয়নের মাসুদ মেম্বার, হারুন গাজী, ৩নং ইউনিয়নের গিয়াস উদ্দিন, ফারুক মোল্লা, ২নং ইউনিয়নের আলী হারেছ মিয়াজী, গিয়াস উদ্দিন মিজি, বিএনপি নেতা ইউনুছ বেপারী, ১নং ইউনিয়নের সোহাগ প্রমুখ।

একই রকম খবর

Leave a Comment