চাঁদপুরের ৫টি আসনে ৫১ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

আহম্মদ উল্যাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুল রহমান খান বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. জিহাদুল কবির পিপিএম,চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শওকত ওসমান,চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) মোহাম্মদ মাঈনুল হাসান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা আফরোজসহ অন্যান্য নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) সংসদীয় আসনে ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর (আওয়ামী লীগ থেকে-নৌকা), গোলাম হোসেন (আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা), আ ন ম এহসানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ), মোশারফ হোসেন (বিএনপি ধানের শীষ), নাজমুন নাহার বেবী (বিএনপি ধানের শীষ), অধ্যাপক এ কে এস এম শহীদুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), এমদাদুল হক রুমন (জাতীয় পার্টি লাঙ্গল), নুরুল আলম মজুমদার (ইসলামী ফ্রন্ট মার্কা মোমবাতি), জোবায়ের আহমেদ (ইসলামী আন্দোলন হাত পাখা) ও আজাদ হোসেন (গণফোরাম/জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ধানের শীষ)। এদিকে এক শতাংশ ভোটের বৈধতা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার মোশারফ হোসেনের মনোননয়পত্র বালিত হয়।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (আওয়ামী লীগ নৌকা), নুরুল আমিন রুহুল (আওয়ামী লীগ নৌকা), ড. জালাল উদ্দিন (বিএনপি ধানের শীষ), এমরান হোসেন মিয়া (জাতীয় পার্টি লাঙ্গল), আসরাফ উদ্দিন (ইসলামী আন্দোলন হাত পাখা), মো. মনির হোসেন (ইমলামী ঐক্যজোট) ও নরুল আমিন লিটন (মুসলিম লীগ)। এক শতাংশ ভোটের বৈধতা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খায়রুর হাসানের মনোননয়পত্র বালিত হয়। এছাড়াও বিএনপির প্রার্থী তানভির হুদার মনোনয়ন পত্রের বৈধতা স্থগিত রয়েছে।

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ নৌকা), শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক (বিএনপি ধানের শীষ), অ্যাড. ফজলুল হক সরকার (নাগরিক ঐক্য/ বিএনপি ধানের শীষ), রাশেদা বেগম হীরা (বিএনপি ধানের শীষ), এস এম আলম ( জাতীয় পার্টি /জেপি/ বিএনপি ধানের শীষ), অ্যাড. সেলিম আকবর (গণ ফোরাম/জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ধানের শীষ), আবু জাফর মো মাঈনুদ্দিন (ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি), মো. জয়নাল আবেদীন শেখ (ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা), দেওয়ান কামরুনন্নেসা (জাকের পার্টি গোলাপ ফুল), শাহজাহান তালুকদার (বাসদ মই), মো. আজিজুর রহমান (বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি) ও মো. মিজানুর রহমান (তরীকত ফেডারেশন মার্কা ফুলের মালা)।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) সংসদীয় আসনে ড. মুহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া (আওয়ামী লীগ নৌকা), মোহাম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ নৌকা), এম এ হান্নান (বিএনপি প্রার্থী মার্কা ধানের শীষ), কাজী রফিকুল ইসলাম (বিএনপি মার্কা ধানের শীষ), মো. জাহিদুল ইসলামন রোমান (স্বতন্ত্র), মাইনুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি লাঙ্গল), মকবুল হোসেন (ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা), আনিসুজ্জামান ভূঁইয়া (বাসদ মার্কা মই), দেলোয়ার হোসেন পাটওয়ারী (ন্যাপ), বাচ্চু মিয়া ভাষানী (জাকের পার্টি গোলাপ ফুল), গোলাম মাহমুদ ভূঁইয়া মানিক (ইসলামী ফ্রন্ট মার্ক মোবাতি), মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া (মুসলিম লীগ)। এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন হারুনুর রশিদ এক শতাংশ ভোটের বৈধতা না পাওয়ায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. ছালেহের ও অসম্পূন্ন কাগজ পত্রের কারনে বিএনপি প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন নসুর মনোননয়পত্র বালিত করা হয়।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি) সংসদীয় আসনে মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম (আওয়ামীলীগ নৌকা), মো. মমিনুল ইসলাম ( বিএনপি ধানের শীষ), এম এ মতিন (বিএনপি ধানের শীষ), মো. মনির হোসেন মজুমদার ( জাসদ ইনু মোশাল), আলহাজ আবু সুফিয়ান আল কাদেরী (ইসলামী ফ্রন্ট মার্কা মোমবাতি), শাহাদাত হোসেন (ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা), সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ মার্কা চেয়ার), ওয়াহেদ মোল্লা (জাকের পার্টি গোলাপ ফুল)। এলডিপি প্রার্থী নেয়ামুল বশির ও জাতীয় পার্টির খোরশেদ আলম খুশুর ঋণ খেলাপির দায়ে মনোনয়নপত্র বালিত ঘোষনা করা হয়।
তবে যে সকল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তারা আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রার্থীর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে হবে।

একই রকম খবর

Leave a Comment